নভেম্বরের ৩ তারিখ; অনেক ঘোলাটে একটি জনপ্রশ্নের উত্তর দিয়েছে বিএনপির একজন শীর্ষ স্থানীয় নেতা ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমেদ। সরকার পতনের আন্দোলনে থাকার অবস্থান থেকে পরিষ্কার সরে আসার ইঙ্গিত দিয়ে স্পস্ট করেই বলেছেন, বিএনপি আগামি নির্বাচনে অংশ নেবে। এবং সেটা তিনি আরো পরিষ্কার করেই বলেছেন, যে কোন পরিস্থিতিতেই বিএনপি আগামি নির্বাচনে অংশ নেবে।তার এই বার্তা শুনে একদিকে আওয়ামীলীগ সরকার স্বস্তি পেতে পারেন যে আর যাই হোক, আগামি দুটি বছর তারা সরকার পরিচালনা করবেন, মাঠের রাজনীতি মোকাবেলা করার বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।এটি একটি অবস্থানগত পরিবর্তন।বড় পরিবর্তন বলা যেতে পারে, তবে, সেই পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছিল বহুদিন ধরেই।বিষেশন নির্বাচন কমিশন মনোনয়ন নিয়ে বিএনপির আপত্তি থাকলেও, তারা কমিশনের সাথে সংলাপে গিয়েছে। সরকারেরর বিরাগভাজন হওয়ার ঝুকির মধ্যেই প্রধান নির্বাচন কমিশনার নুরুল হুদা, বিএনপির রাজনৈতিক অতীতকে স্বরণ করেছেন, প্রসংশা করেছেন, দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকেও। সেখানে বিএনপি সংলাপে অংশ নিয়ে নির্বাচন কমিশন ফেলে দেয়ার দাবী তোলেনি। সেটা একটা পরিবর্তন মুলক ইঙ্গিত ছিল অবস্যই। তবে বড় পরিবর্তন হয়েছে সম্ভবত বেগম খালেদা জিয়ার লন্ডন সফর, সেখানে দলটির অন্যতম নীতি নির্ধারত তারেক রহমানের সাথে সলা পরামর্শ থেকে যেন, এক নতুন খালেদা জিয়া ফিরেছেন বাংলাদেশে। সেসব নিয়েই বলছি আপাতত, তবে এই লেখার মুল উদ্দেশ্য, নির্বাচনে যাবার জন্য বিএনপির পথ খোলা থাকবে কিনা, সেই প্রশ্নের উত্তর দেবার চেষ্টা করবো।

২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি নির্বাচন বর্জন দলকে অস্তিত্ব সংকটে ফেলেছে বলেই বিশ্লেষকদের অনেকে মনে করেন। তবে, ভিন্ন মত আছে। সে সময় অনেকেই ভাবতে শুরু করেছিলেন, ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনে গেলে এমনিতেই সরকার গঠনের কোন সম্ভবনা ছিল বিএনপির। কেননা, নির্বাচন নিরপেক্ষ হওয়ার কোন ক্ষেত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি তখনও। তাই নির্বাচনে গেলে, সংসদে সংখ্যাগরিষ্ট আসন পাও্য়ার কোন সম্ভবনাই ছিল না। তবে, অন্তত নির্বাচনে গেলে একটা শক্তিশালী বিরোধী সংসদীয় দল হিসেবে বিএনপি কিছু বাড়িত সুযোগ পেত, থাকতো মাঠের পেশি শক্তির জোর ও। কিন্তু দলটির নীতি নির্ধারকরা সে সময় এমন বেকে বসে, যে আর্ন্তাজাতিক কুটনীতি, সে সময় জাতিসংঘের বিশেষ দূত তারাঙ্ক এর সফর, এগুলো কোন ভাবেই বিএনপির মন গলাতে পারেনি। বিএনপি ভেবেছিল, হয়তো বিএনপি বিহীন নির্বাচনের ফলাফল হজম করতে পারবেনা আওয়ামী লীগ সরকার। কিন্তু সেই একতরফা নির্বাচনের ফলাফল হজম করে নিয়েছে সরকার, একেবারে বাসর রাতে ইদুর মারার মত করেই। নির্বাচনের পর পরই, বিএনপি এবং এর রাজনৈতিক জোট গুলোর নেতাকর্মীদের এমন ভাবে হত্যা, নির্যাতন, গুম, মামলার মধ্যে ফেলে দেয় যে দিশেহারা হয়ে যায় দলটি। এমনকি এ্মনও দিন গেছে গড়ে দৈনিক ১৫-২০ টি হত্যাকান্ড ঘটেছে, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হাতেও। সব মিলিয়ে, এমন একটি দূর্বিসহ পরিস্থিতি সামলা দেয়া বিএনিপির জন্য বেশ দুরহ হয়ে পড়ে, সেটা সবার-ই জানা কথা। এর পরে, বিএনপি একাধিকবার সরকার পতনের আন্দোলনে গিয়েও তেমন জনসমাগম ঘটাতে পারেনি মাঠে, অন্যদিকে আর্ন্তজাতিক রাজনীতি তাদের পক্ষে ছিল না। এখনোও নেই বলা চলে। বিশেষত, বর্তমান সরকারের সবচে বড় পৃষ্টপোষক ভারতে সরকার পরিবর্তন হলেও, বাংলাদেশ নীতিতে তাদের কোন পরিবর্তন হয়নি। এমনিক অনেক ক্ষেত্রেই কংগ্রেস সরকারের চাইতে বর্তমান বিজেপি সরকার একেবারে প্রকাশ্যে বাংলাদেশের একটি জনসমর্থনহীন সকারকে মেনে নেয়ার অবস্থান ঘোষনা করেছে বার বার। সেটা তারা করেছে তাদের জাতীয় স্বার্থেই, কেননা, ভারতের নিরাপত্তা, রাষ্ট্রীয় অখন্ডতা রক্ষায় আওয়ামীলীগ পরিক্ষিত বন্ধুর মত পরিচয় দিয়েছে এবং দিয়ে যাচ্ছে। স্বভাবতই আগামি নির্বাচনেও ভারতের অবস্থান বদল হবে না। আর অন্যদিকে, দেশের অভ্যন্তরে বিএনপিকে নির্বাচনে জয়ী হয়ে আ্সার জন্য যেটা দরকার, একটি নির্দলীয় নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীণ সরকার ব্যাবস্থা, সেটিও যে আপাতত হচ্ছে না, তা একরকম প্রায় পরিষ্কার।

আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তো চ্যালেন্জ ছুড়ে দিয়ে বলেচেন, ‘লিখে রাখেন, সংবিধান মোতাবেক-ই আগামি নির্বাচন হবে’ । এই সংবিধান আসলে, বর্তমান সরকারের আমলে পরিবর্তিত সংবিধান। যেখানে নির্বাচনকালীন সরকারের যে রেওয়াজ ছিল আগের দেড় দশক ধরে, সেটা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে বেশ আগেই। সে কারনেই মুলত নির্বাচন বর্জনের ডাক দেয় বিএনপি ২০১৪ সালে। তো এখন কি, বিএনপি ঐ অবস্থান এবং বাস্তবতা মেনেই নির্বাচনে আ্সতে চাইছে? আপাতত সেটার কোন পরিষ্কার উত্তর পাওয়া যায়নি, কেননা, এখনও বিএনপির কেউ কেউ বলেন, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবী বাস্তবায়ন করবেই বিএনপি। সেটা দেখা যাক কত দিনে, বা কতটুক হয়। তবে আপাতত দেখার বিষয় হলো, চাইলেই কি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেব বিএনপি?

এই প্রশ্ন আসছে কেননা, যেই প্রেক্ষাপটে এই আলোচনা হচ্চে, সেখানে দু পক্ষের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে নানান সন্দেহ আর অবিশ্বাস একটি বড় বিষয়। খালেদা জিয়ার এবং তারেক রহমানের ঘাড়ের উপর প্রায় ২৫টি মামলা চলমান। একটি মামলায় তো খালেদা জিয়ার গ্রেফতারী পরোয়ানাও জারি হয়েছে, সেই ভীতি উপেক্ষা করেই খালেদা জিয়া যে দেশে ফিরে এসেছেন, সেটাতে অনেকটা হতচকিত হয়ে গেছে ক্ষমতাশীন দল। কেননা, দলের সাধারন সম্পাদক থেকে শুরু করে পাতি নেতারাও একসময় বলা শুরু করেছিলেন, খালেদা জিয়া সম্ভবত আর দেশে ফিরবেন না।সেই অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে, এবং অনেকটাই সেটা বিপরিতে পরিবর্তন হয়েছে বলা চলে। মামলা আর গ্রেফতারের ঝুকি থাকা সত্বেও বেগম খালেদা জিয়া দেশে ফিরলে, তার দলের কর্মী  সমর্থকরা বলা চলে বেশ চাঙ্গাই হয়েছেন, এবং তাদের আত্ববিশ্বাস ফিরে এসেছে অনেক খানি। সেটার প্রমান, ভয় ভীতি উপেক্ষা করে খালেদা জিয়ার সাম্প্রতিক চট্রগ্রাম সফরে প্রতিটি রাস্তার মোড়ে মোগে গনজমায়েত দেখা গেছে যেটা বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিরল ছিল বেশ কয়েক বছর ধরে। সেসসব কথায় পরে আসছি, যে নির্বাচনে গেলে বিএনপি মাঠের রাজনীতিতে কিভাবে প্রাধান্য বজায় রাখতে পারবে, তবে তার আগে একটা অন্য হিসাব নিয়ে কথা বলি।

বিভিন্ন পরিসংখ্যান এক জায়গায় করলে দেখা যাচ্ছে, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং তার দুই ছেলে তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোসহ জিয়া পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মোট ২৫টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে পাঁচটি, তারেক রহমানের ১৪, কোকোর ৫ এবং তারেকের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে একটি। কার্যত বিভিন্ন দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার পরিবার অব্যাহত চাপের মধ্যে রয়েছে।খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা পাঁচটি মামলার সব কটিতে তিনি বর্তমানে জামিনে আছেন। তবে এর মধ্যে চারটি মামলাই হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে। এ ছাড়া তারেক রহমানের বিরুদ্ধে করা ১৪ মামলার মধ্যে চারটি স্থগিত রয়েছে। বাকি মামলাগুলোর বিচারিক কার্যক্রম আদালতে চলছে। তিনি চিকিৎসার জন্য প্যারোলে মুক্তি নিয়ে বিদেশে যাওয়ার পর এখনো ফেরেননি। তারেক রহমানের অনুপস্থিতিতে তাকে পলাতক বিবেচনায় জামিন বাতিল করেছে আদালত। অর্থ পাচার মামলায় কোকোর ৬ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। তারেক রহমানের স্ত্রী জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা একমাত্র মামলাটি স্থগিত রয়েছে। তিনি এ মামলায় জামিনে রয়েছেন। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের সময় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে একটি করে। বাকি মামলাগুলো এক-এগারো পরবর্তী তত্তাবধায়ক সরকার আমলে করা।

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার বিরুদ্ধে মোট ১৪টি মামলা রয়েছে। তিনি তত্ত¡াবধায়ক সরকারের শাসনামলে প্যারোলে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান। এখনো তিনি বিদেশে অবস্থান করছেন। তার অনুপস্থিতিতেই একাধিক মামলায় বিচারিক কার্যক্রম চলছে। সাব্বির হত্যা মামলা : বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক সাব্বির হত্যা মামলার আসামি সাফায়াত সোবহান সানবিরকে মূল চার্জশিট থেকে বাদ দেয়া এবং বিদেশে পালিয়ে যেতে সহায়তা করা ও ২১ কোটি টাকা ঘুষ নেয়ায় তারেক রহমান ও লুৎফুজ্জামান বাবরের বিরুদ্ধে ৪ অক্টোবর ২০০৭ সালে রমনা থানায় মামলা করা হয়। মামলা নম্বর রমনা থানা-১০। হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের কারণে মামলাটির কার্যক্রম বন্ধ আছে। তার বিরুদ্ধে সাতটি চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে। এ সাতটি মামলায় তার সঙ্গে আসামি রয়েছে তার ব্যবসায়িক পার্টনার ও বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুন। চাঁদাবাজির মামলায় তিনটি স্থগিতাদেশ রয়েছে। চারটি আদালতে বিচারিক কার্যক্রম চলছে।

এই যখন বিএনপির শীর্ষ দুই নেতার পিছুটান তখন, এটা নিশ্চিত ভাবেই বলা যায়, বিএনপি চেয়াপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানকে নির্বাচন থেকে বিরত রাখার জন্য, অবস্যই তাদের জেল জরিমানা হবে। সেটার ইঙ্গিত মিলছে এখন থেকেই। সেরকম যদি হয় তাহলে, মওদুদের কথামত সকল পরিস্থিতিতেই বিএনপি নির্বাচনে যাবে’ এই অবস্থান থাকবে কিনা?

বিএনপির তরফে সরকার পতন আন্দোলন বাদ দিয়ে যে কোন পরিস্থিতে নির্বাচনে আসার ঘোষনায় আওয়ামীলীগ কি বলবে তা হয়তো সহসাই জানা যাবে। তাদের ভিতরেও নিশ্চই নানান অংকের হিসাব নিকাশ খেলা করছে। ২০১৪ সালে যখন নির্বাচন বর্জন করেছিল বিএনপি সেটা, বর্তমান সরকার সাদরে গ্রহন করেছিল। কেননা, সেখানে আর্ন্তজাতিক বেশ কিছু চাপ ছিল, ছিল প্রথমবার সরকারী দলের অধিনে নির্বাচন করার উচ্চাভিলাশ পরিকল্পনাও। সেখানে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষনার দিনই বিএনপির শীর্ষ নেতা হান্নান শাহকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই পুলিশী আচারনের মধ্য দিয়ে বিএনপি টের পেয়েছিল যে, নির্বাচন করতে চাইলেও সরকার তাদের দমন পীড়ন অব্যহত রাখবে। নত না হয়ে তাই সরকার পতনের সম্ভাবনা মাথায় নিয়েই নির্বাচন বর্জন করে তারা। তবে, এটার পরিস্থিতি আরো খারাপ এক দিকে যেমন, তেমন সরকারের জন্যেও কিছুটা বেকায়দামূলক। কেননা, এবারে যুদ্ধাপরাধীর বিচার করার মত গরম দাবী নেই সরকারের হাতে। তাই জনসমর্থন যে আগের মত তারা পাবে সেটা বলা যায় না। আগের সময় অন্তত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্য, জোরজবরদোস্তি মুলক একটি নির্বাচন মেনে নেয়ার যে মানুষিকতা ছিল এবার সেটা অন্তত নেই। এক পদ্মা সেতুর উন্নয়ন কর্মকান্ড চালিয়ে নেয়ার অনুকল দাবী বাদে সব কিছুই সরকারের প্রতিকুলে। মানুষের অবিশ্বাস বেড়েছে দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতিতে। অসন্তোস বেড়েছে, বিচারলয় থেকে প্রসাশন সব খানেই গুন্ডাগিরির সরকার পরিচালনায়। আবার অসাম্প্রদায়িকতার লেবাস ছেড়ে আওয়ামী লীগ এখন অনেকটাই কট্টর ইসলামী দলগুলোর প্রতি নতজানু। তাই আওয়ামীলীগের দূর্দিনে মাঠে নামা উদার মানুষগুলি এবার খুব কম-ই সোচ্চার হতে পারবে বলে বিশ্বাস অনেকের। তাই , বিএনপিকে নির্বাচনে নামা ঠেকিয়ে রাখতে এবারও বেশ কিছু কৌশল হাতে নিতে হবে। মামলার রায় দিয়ে খালেদা-তারেক কে নির্বাচন থেকে দুরে রাখার কৌশলটি-ই্ আপাতত বড় একটি বিবেচ্য সরকারের কাছে, এমন বিশ্বাস বিরোধী শিবিরে। সরকার কি বলেছ?

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ কদিন আগেও বলেছিলেন, নির্বাচন বানচালের সর্বাত্বক চেষ্টা করেছে বিএনপি। তাদের অন্য কিছু করারও কোন ক্ষমতা নেই।  কোন কিছু হওয়ার সম্ভাবনাও নেই। মন্ত্রী বলেন,আমরা চাই বিএনপি নির্বাচনে আসুক। সব দলের অংশ গ্রহনে আগামী নির্বাচন হবে। ওই নির্বাচনে বিএনপিও অংশ নিবে। ভোলার একটি উন্নয়ন কর্মকান্ড উদ্বোধন করতে গিয়ে গত ৬ আগষ্ট এই কথা বলেছিলেন তোফায়েল আহমেদ। এখন তো মওদুদের কথায় প্রমানিত, যে তারা আসলে যে কোন পরিস্থিতেই নির্বাচনে যাও্য়ার পরিকল্পনা করছে। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচনে যেতে চাওয়া বিএনপি আদৌ নির্বাচনে যেতে পারে কিনা।

সাহেদ আলম

৩ নভেম্বর, ২০১৭

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *