শাসনব্যবস্থায় গণ-একনায়কতন্ত্র যুগের শুরু?

বাংলাদেশে কি একনায়কতন্ত্র চলছে?

শাসনব্যবস্থায় গণ-একনায়কতন্ত্র যুগের শুরু?

২৫ ফেব্রুয়ারি চীনের সেন্ট্রাল কমিউনিস্ট পার্টি দেশের সংবিধানে প্রেসিডেন্টের দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার বিধান তুলে দেয়ার প্রস্তাব করে। ১১ মার্চ তেসরা মার্চ, রাবারস্ট্যাম্প হিসেবে পরিচিত ন্যাশনাল পিপল’স কংগ্রেসের ২,৯৫৮ জন সদস্য এ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন। দু’জন প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন এবং তিনজন অনুপস্থিত ছিলেন। নতুন এ সিদ্ধান্তের ফলে আজীবনের জন্য ক্ষমতায় থাকছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জি জিনপিং। প্রজাতন্ত্রী চীনের এমন খবর নজর কেড়েছে বিশ^জুড়ে।চীনের রাষ্ট্রপতির আজীবন ক্ষমতায় থাকার উদ্যোগের শুরুতে গেলো তেসরা মার্চ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে বক্তব্য দিয়েছিলেন, সেটিও বেশ নজরকাড়া। ট্রাম্প জিনপিংয়ের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে নিজের দেশে কোন একদিন এমন ব্যবস্থা চালুর পক্ষে মত দেন। ১৭ মার্চের নির্বাচনে ৭৬ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়ে আবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন ভøাদিমির পুতিন। এর মানে তিনি দ্বিতীয় দফায় দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে প্রথম দফায় তিনি দুই মেয়াদে প্রেসিডেন্ট ছিলেন ২০০০ সাল থেকে ২০০৮ পর্যন্ত। এরপর, নিজের শিষ্য ও অনুগত দিমিত্রি মেদভেদেভকে প্রেসিডেন্ট পদে বসিয়ে নিজে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। রাশিয়ার সংবিধান পর পর দুইবারের বেশি প্রেসিডেন্ট পদে থাকা অনুমোদন করে না বলে এমন কৌশল নিয়ে ক্ষমতার কেন্দ্রে থেকেছেন পুতিন।

অবিশ্বাস্য এবং নজিরবিহীন কারচুপির মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন পুতিন আবারো।

বিশ^জুড়ে গণতন্ত্রের আদলে তৈরি হচ্ছে নতুন এক ধরণের তন্ত্র। কেউ একে তুলনা করছেন স্বৈরতন্ত্রের সাথে। কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থা বলছেন কেউ কেউ। কারো মতে, এটি আসলে গণতন্ত্রেও মোড়কে একনায়কতন্ত্র, যাকে সংক্ষেপে গণ-একনায়কতন্ত্র বলছেন কেউ কেউ।

পৃথিবীর দেশে দেশে এখন এমন ব্যবস্থারই অনুশীলন চলছে। জনগণের স্বার্থ রক্ষার নামে, উন্নয়নের নামে, গণতন্ত্রের নামে চলছে ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতায় থেকে যাওয়ার এক নোংরা খেলা। এ খেলায় প্রয়োজনে বিপরীত আদর্শের দল বা গোষ্ঠীর সাথে সখ্য হচ্ছে ক্ষমতাসীনদের। ডান মিশে যাচ্ছে বামের সাথে। কিংবা বাম মিশে যাচ্ছে ডানের সাথে। জনগণের কথা বলে তাদের মুখ চেপে চলছে সংবিধান রক্ষার খেলা।

“বৈশি^ক পরিবর্তনের কালে ডানপন্থী কর্তৃত্ববাদের উত্থান” শিরোনামে এক গবেষণায় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ, যুক্তরাজ্যের কীল বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যাপক বিউলেন্ত গিউকাই বলেছেন, দমনমূলক সামাজিক রক্ষণশীলতার ওপর ভিত্তি করেই ডানপন্থী কর্তৃত্ববাদের যাত্রা শুরু, যা কিনা গণতন্ত্র, ব্যক্তির অধিকার এবং সামাজিক ন্যায়বিচারকে বিপজ্জনক পথে ধাবিত করে। জাতে তুর্কী এই শিক্ষক ও লেখক তুরস্কে এরদোগানের উত্থানকে ইসলাম ও ধর্ম নিরপেক্ষ পশ্চিমাদের মধ্যে সভ্যতার সংঘাত হিসেবে দেখতে নারাজ। তার মতে, সে দেশে সত্যিকার অর্থে গণতন্ত্র আর স্বৈরতন্ত্রের মধ্যে সংঘাত চলছে। গণতন্ত্র, মুক্তি এবং সামাজিক বিচারের জন্য যারাই সংগ্রাম করছে- হোক মুসলমান, খৃস্টান কিংবা ধর্মে অবিশ্বাসী- সবার জন্যে এরদোগানের স্বৈরাচারী চিন্তা বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

ডানপন্থী স্বৈরতন্ত্রের ভুত চেপেছে দেশে দেশে। পূর্ব ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া প্রমাণ করে যে তারা অভিবাসী বা ভীনদেশীদের সহ্য করতে পারছেন না। ভারতে হিন্দত্ববাদীদের উত্থান কিংবা জাপানে জাতীয় পুনর্জাগরণের জন্য দেশটির প্রধানমন্ত্রী শিনজু অ্যাবের আহবান, আর ফিলিপাইনে দুতের্তে সরকারের সামরিক কৌশল এর সবকিছুতেই কর্তৃত্ববাদের প্রভাব রয়েছে বলে মনে করেন বিউলেন্ত গিউকাই।
বিশ^ রাজনীতি বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করেন, জনগণের ভোটে ক্ষমতায় গিয়ে সেই জনগণকে পুতুল বানিয়ে রাখার কৌশল গ্রহণ করছে দেশে দেশে বিভিন্ন সরকার। এ কৌশল বাস্তবায়ন করতে সরকারী দল সাথে নিচ্ছে কট্টরপন্থী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে। সেক্ষেত্রে, নীতি বা আদর্শ খুব এটা প্রাধান্য পায় না। একটি দল কিংবা এক দলের নির্দিষ্ট একজন ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করার উদ্দেশ্যে চলে যতো আয়োজন।

বিশ্বজুড়ে  গণতন্ত্র এবং সরকারব্যবস্থা পর্যবেক্ষক করা স্বাধীন প্রতিষ্ঠান ’ফ্রিডম হাউস’ তাদের সবশেষ এক পর্যবেক্ষণ “ব্রেকিং ডাউন ডেমোক্রেসি: গোলস, স্ট্র্যাটেজিস, এন্ড মেথডস অব মডার্ন অথোরিটারিয়ানস” এ তুলে ধরেছে বেশ কিছু তথ্য। এতে বলা হয়, আধুনিক কর্তৃত্ববাদ সফল হয়েছে। পক্ষান্তরে, সাবেকী আগ্রাসী বা স্বেচ্ছাচারী পদ্ধতি ব্যর্থ হয়ে গেছে। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, দমনপীড়নের কৌশলে নতুনত্ব, উন্মুক্ত সমাজের শোষণ বা বঞ্ছনা এবং গণতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে সঙ্কীর্ণ নীতির প্রসার।

প্রেসিডেন্ট পুতিনের অধীনে রাশিয়া আধুনিক কর্তৃত্ববাদী পদ্ধতির উন্নয়নে বিরাট ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে প্রচার মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করা, প্রচারণা চালানো , সুশীল সমাজকে কোনঠাসা করা এবং রাজনীতির বহুত্ববাদিতাকে দূর্বল করার মধ্য দিয়ে একাজ করেছেন পুতিন। স্বৈরাচারী সরকারের স্বার্থকে প্রতিনিধিত্ব বা উপস্থাপনের জন্য গণতান্ত্রিক দেশগুলো থেকে রাজনৈতিক পরামর্শক ও তদবিরকারী ভাড়া করার প্রবণতা বেড়েছে।

অধ্যাপক বিউলেন্ত গিউকাই মনে করেন, পশ্চিমা কর্তৃত্ববাদ কখনো খৃষ্টীয় আবার কখনো ধর্ম নিরপেক্ষ মতবাদ গ্রহণ করে সামনে এগিয়ে গেছে। কিন্তু, এরা বরাবরই অভিবাসী ও ইসলামবিরোধী মনোভাব দেখিয়ে এসেছে। অন্যদিকে, কুর্দী ডানপন্থী কর্তৃত্ববাদীরা কুর্দীবিরোধী এবং ইসলামী ধারণাকে নিজেদের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে।

অধ্যাপক বিউলেন্ত গিউকাইসহ অন্যান্য বিশ্লেষকের মতে, বিশ^ব্যাপি কর্তত্ববাদী শাসকগোষ্ঠীর উত্থানের সাথে সাথে উদারনৈতিক, ধর্ম নিরপেক্ষ, মানবাতবাদী ধারণার সরকার ব্যবস্থা কিংবা এসব ধারণায় বিশ^াসী রাজনৈতিক নেতা ও দলের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। কোথাও কোথাও তাদের জনপ্রিয়তাও বাড়ছে। ইতালির সবশেষ নির্বাচনী ডানপন্থীদের জয় এ ধারণার সবশেষ উদহারণ।

সমাজতন্ত্রের পতনের পর পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে রাজনীতিতে উগ্রজাতীয়তাবাদের পাশাপাশি ধর্মীয় উগ্রপন্থীদের প্রভাব বাড়ে। আর এই দুই ধরণের রাজনীতির সঙ্গমে ডানপন্থীদের যে বলয়, সেটিই এখন বিশ^ রাজনীতিতে ‘ডান কর্তৃত্ববাদ’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত হচ্ছে বিশেষজ্ঞমহলে, যাকে আবার কেউ কেউ গণতন্ত্রের আড়ালে একনায়কতন্ত্র তথা গণ-একনায়কতন্ত্র হিসেবে বলতে চাইছেন। বিংশ শতাব্দীর শেষপাদে এসে বিশ^রাজনীতিতে ক্ষয়িষ্ণু মার্কিন আধিপত্যের বিপরীতে বিশেষ করে চীন ও ভারতের অর্থনৈতিক উত্থানকে নতুন মেরুকরণ হিসেবে দেখা শুরু হয়। আর এই দুই শক্তিকে ঘিরে কর্তৃত্ববাদী শাসকশ্রেণীরর একটা বলয়ও তৈরি হয়। মুলত, গত ২০-২৫ বছরে বিশ^ব্যাপি রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু পাল্টানোর কারণে শাসনব্যবস্থায়ও পরিবর্তন চলে আসে। সুপারপাওয়ারের ক্ষমতা হ্রাসের মধ্য দিয়ে বিশ^ব্যাপি রাজনীতিতে অস্থিরতা শুরু হয়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সারাবিশে^ দেশে দেশে গণতন্ত্রের আড়ালে যে এক ব্যক্তির বা একদলের একচ্ছত্র আধিপত্র তৈরি হয়েছে, সেটি কিন্তু কোথাও উদার গণতান্ত্রিক শক্তির মাধ্যমে নয়। বেশিরভাগই উগ্রপন্থী, ডানপন্থী কিংবা মধ্যপন্থীদের ছত্রছায়ায়। যেমন ভারতে সরকার গঠন করেছে ধর্মীয় হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক দল। আর সরকারের সবকিছু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিয়ন্ত্রণে। তার সিদ্ধান্ত ছাড়া সরকারের কোন কর্মকা- চলে না। বাংলাদেশে মধ্যপন্থী আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে সেটি ধরে রাখার জন্য হাত মিলিয়েছে ইসলামী দলগুলোর একাংশের সাথে। দলটি নিজেদের রাজনৈতিক আদর্শকে বলি দিয়ে তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার জন্য জোর চেষ্টা চালাচ্ছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে গড়ে উঠেছে কর্তৃত্ববাদী রাজনীতির বলয়। তার কথায় চলে সব।

মালদ্বীপেও উদারনৈতিক ও গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারেেক উৎখাত করে সেখানে কর্তৃত্ববাদী সরকারব্যবস্থা চালু রাখা হয়েছে। নেপালে কর্তৃত্ববাদী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলে সরকারেও স্থায়িত্ব নেই। মিয়ানমারে সব সময়ই কর্তৃত্ববাদী, সামরিক সরকার রয়েছে। আর তাদের প্রতিবেশী থাইল্যান্ডে সামরিক সরকার উৎখাত করেছে ব্যাপক জনপ্রিয় ৗ গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে। নির্বাচিত সরকার খুব দ্রুত কর্তৃত্ববাদী সরকারে কিভাবে পরিণত হতে পারে, তার উদাহরণ হচ্ছে ফিলিপাইন। সেখানে প্রেসিডেন্ট দূতের্তের ইচ্ছে কিংবা সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত।

মিশরে মুসলিম ব্রাদারহুডের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোরসি ক্ষমতাগ্রহণের পর পরই কর্তৃত্ববাদী হয়ে ওঠেন। পরিণতিতে, তাকে সরিয়ে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা নিয়ে সেখানে চালু করে স্বৈরশাসন। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরাক ও লিবিয়া থেকে কথিত স্বৈরশাসক সাদ্দাম ও গাদ্দাফিকে হটাতে মার্কিনীদের পরিকল্পনার ফাঁদে পা দিয়ে দেশ দু’টি এখন রক্তাক্ত প্রান্তর। সেখানেও কর্তৃত্ববাদী শাসন চলছে সীমিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আদলে। অন্য আরবদেশগুলোর বেশিরভাগেই গণতন্ত্রের বালাই নেই। চলছে একনায়কের শাসন।

বিশ^জুড়ে দেশে দেশে জনগণের ভোটে ক্ষমতায় এসে, নানা অজুহাতে সেই জনগণের ইচ্ছেকে আর মূল্যায়িত না করেই লোকদেখানো নির্বাচন আর রাবারস্ট্যাম্প পার্লামেন্টের মাধ্যমে গঠিত হচ্ছে সরকার। অগণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতায় আসা স্বৈর শাসকের সাথে গণতান্ত্রিক কায়দায় নির্বাচিত এ ধরণের সরকারের পার্থক্য কোথায়?

বিংশ শতাব্দীর শেষ তিন দশকে বিশ^জুড়ে অন্তত ৬০টি রাষ্ট্রে গণতন্ত্রের যে ঢেউ লেগেছিলো, তাতে করে ধরেই নেয়া হয়েছিলো যে, জনগণের জন্য জনগণের দ্বারা নির্বাচিত ব্যক্তির মাধ্যমে গঠিত সরকারই হবে বিশ^জুড়ে দেশে দেশে রাষ্ট্রীয় শৃংখলার বড় নিয়ামক। কিন্তু, ২০১৬ সালের মার্কিন নির্বাচন, সেই নির্বাচনে সব হিসেব নিকেশ উল্টে দিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়লাভ, ট্রাম্পকে জেতানোর জন্যে রাশিয়ার চালবাজি, নির্বাচিত হবার পর থেকে ট্রাম্পের একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত গণতন্ত্রের সৌন্দর্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। বিশ^ব্যাপি গণতন্ত্রের জন্য, একটি কার্যকরী নির্বাচনী ব্যবস্থার জন্য যাদের এতো দৌঁড়ঝাপ, সেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগ, গোটা বিশ^কে স্তম্ভিত করেছে। সবচেয়ে বিস্ময়ের ব্যাপার, যাদের নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপ বলা হচ্ছে দেশেরই প্রেসিডেন্ট এখন চাইছেন যে করেই হোক এ বিষয়ে তদন্ত ঠেকাতে।

ইইউ থেকে বেরিয়ে যেতে ব্রিটেনে প্রচারণা, ট্রাম্পের রাশিয়া-হস্তক্ষেপ-তদন্ত বন্ধের চেষ্টা, চীনে প্রেসিডেন্টের আজীবন ক্ষমতায় থাকার ইচ্ছে, এরদোগানের একচ্ছত্র আধিপত্র বিস্তারের চেষ্টা, বিরোধী দলকে দমনের মধ্য দিয়ে আবারো পুতিনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া, এর কোনটিই গণতান্ত্রিক ধারবাহিকতা নয়, কর্তৃত্ববাদেরই প্রকাশ। আর এই কর্তৃত্ববাদের ধারণা শুরু হয়েছে সোভিয়ের ইউনিয়নের পতনের মধ্য দিয়ে।

সোহেল মাহমুদ, নিউইয়র্ক।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সাম্প্রতিক পোস্ট